Pages

উবুন্টুতে গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার | Use Grammin Phone's Internate in Ubuntu


পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন | Protect virus from pendrive

পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার ব্যাপারটি নতুন কোন সমস্যা নয়। এই ভাইরাসগুলোর যন্ত্রনায় অনেকেই প্রচন্ড বিরক্ত। পেনড্রাইভের মাধ্যমে যে ভাইরাসগুলো ছড়ায় সেগুলো বেশিরভাগই ট্রোজান জেনারেশনের। এগুলোকে সাধারনত ওয়ার্ম বলা হয়। এই ওয়ার্মগুলোর মধ্যে কোন কোনটি আপনার পিসির উপর একসেসকে ইন্টারনেটে উন্মুক্ত করে দেয়। এছাড়া ফোল্ডার অপশন গায়েব হওয়া, হিডেন ফাইল শো না করা অথবা কোন নির্দিষ্ট সিস্টেম ফোল্ডার একসেস করতে না দেওয়া কিংবা রেজিষ্ট্রি এডিটর বা সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি খুলতে না দেয়া এই ভাইরাসগুলোর খুব সাধারন লীলা। অনেকেই অনেক এন্টিভাইরাস ব্যবহার করেও মাঝে মাঝে এই সমস্যা সমাধান করতে পারেন না। এই ভাইরাসগুলো কখন ঢুকলো তাও বুঝতে পারেন না অনেকে।

উইন্ডোজে বাই ডিফল্ট অটোরান সার্ভিস চালু করা থাকে। ফলে সিডিরোম বা ডিভিডিরোম ড্রাইভে ডিস্ক ঢোকালে বা পিসিতে পেনড্রাইভ ঢোকালে সেগুলো নিজে নিজেই চালু হয়ে যায় বা কিভাবে আপনি তা চালু করবেন তা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে। প্রথমত এই অটোরানের সুযোগ নেয় ভাইরাসগুলো। আপনি যদি এইসব ড্রাইভগুলোর প্রপার্টিতে গিয়ে অটোরান ট্যাব থেকে অটোরান বন্ধ করে দেন; এর পরও ভাইরাসগুলো ঢোকে তখন যখন আপনি মাই কম্পিউটারে গিয়ে সেই ড্রাইভ খোলার জন্য তার উপর ডাবল ক্লিক করেন। এর কারন হলো পেনড্রাইভের ভেতরে যদি কোন ভাইরাস থাকে তাহলে সে পেন ড্রাইভের ভেতরে (রুটে) একটি অটোরান নামের আই.এন.এফ ফাইল তৈরী করে রাখে। এই ফাইলে পেন ড্রাইভটি ওপেন করা মাত্রই যাতে ভাইরাসটি পিসিতে ঢুকে যায় সেই নির্দেশ দেয়া থাকে।

পেনড্রাইভের মাধ্যমে ছাড়ানো ভাইরাসগুলোর থেকে আপনার পিসিকে যদি মুক্ত রাখতে চান তাহলে নিচের নিয়মগুলো অনুসরন করুন:

(১) ড্রাইভের প্রপার্টিতে গিয়ে সেই ড্রাইভের আটোরান বন্ধ করলেই এটি পুরোপুরি বন্ধ হয় না। ফলে উইন্ডোজের আটোরান সার্ভিস পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ার জন্য Start > Settings > Control panel > Administrative tools > Services -এ যান। সেখানে লিস্ট থেকে Shell Hardware Detection খুঁজে বের করে এর উপর ডাবল ক্লিক করে তার প্রপার্টিজে যান। সেখানে প্রথমে Startup type এর কম্বোবক্স এর লিস্ট থেকে Disabled সিলেক্ট করুন। এর পর Stop বাটনে ক্লিক করে Ok করুন। এর ফলে উইন্ডোজের অটোরান সার্ভিসটি পুরোপুরি বন্ধ হবে। এই কাজটি বার বার করতে হবে না, একবার করলেই হবে।

(২) কোন পেন ড্রাইভ পিসিতে ঢোকাবার আগে তার ভেতরে ভাইরাস আছে কিনা সে সম্পর্কে আপনি যদি নিশ্চিত না থাকেন তাহলে কখনই মাই কম্পিউটারে গিয়ে ডাবল ক্লিক করে সেটি ওপেন করবেন না। সেটা ওপেন করতে Start > Programs > Accessories-এ গিয়ে Windows Explorer ওপেন করুন। সেখানে দেখুন বামে একটি লিস্ট রয়েছে এবং ডানে একটি লিস্ট রয়েছে। বাম পার্শ্বের এরকম লিস্টকে ট্রি-ভিউ লিস্ট বলা হয়। ট্রি-ভিউ লিস্টে মাই কম্পিউটারের উপর সিঙ্গেল ক্লিক করলে তা এক্সপ্যান্ড হবে। এই ভাবে ট্রি-ভিউ লিস্টে যেই ফোল্ডার বা ড্রাইভের উপর ক্লিক করা হবে সেই ফোল্ডার/ড্রাইভের ভেতরে যেই ফোল্ডারসমূহ রয়েছে তা তার নিচেই খুলে যাবে আর ডানের লিস্টে খুলবে তার ভেতরের ফাইল এবং ফোল্ডারসমূহ দুটোই। পেনড্রাইভের ক্ষেত্রে ফোল্ডর খুলতে অবশ্যই ট্রি-ভিউ লিস্ট ব্যাবহার করুন। আর ফাইল খুলতে ডান পার্শ্বের লিস্ট ব্যবহার করুন। ভুল করেও ডান পার্শ্বের লিস্ট থেকে কোন ফোল্ডারের উপর ডাবল ক্লিক কলে ফোল্ডার ওপেন করবেনা। তাহলে সেই ফোল্ডারে ভাইরাস থাকলে সেটা অটোরান হয়ে আপনার পিসিকে আক্রমন করবে।

(৩) পিসিতে পেনড্রাইভ ঢোকানের পর প্রথমেই এক্সপ্লোরার -এ গিয়ে ট্রি-ভিউ লিস্ট থেকে পেনড্রাইভের উপর ডান ক্লিক করে এন্টিভাইরাস দিয়ে তা চেক করে নিন। এন্টিভাইরাস দ্বারা যদি কোন ভাইরাস ধরা না পড়ে তাহলেও নিশ্চিন্ত হবেন না। ওপরে বলে দেয়া নিয়মের মত করে পেনড্রাইভ একসেস করুন। (ইচ্ছে করলে এক্সপ্লোরারের একটি শর্টকাট ডেক্সটপে তৈরী করে নিতে পারেন)

(৪) কোন বন্ধুকে যদি শুধুমাত্র কোন ফাইল/ফোল্ডার পেনড্রাইভে কপি করে দেয়ার থাকে তাহলে তার পেনড্রাইভ লাগানোর পর সেই ফাইল/ফোল্ডারের উপর ডান ক্লিক করে মেনু থেকে সেন্ড টু এর মাধ্যমে পেনড্রাইভে সেন্ড করে দিন। প্রয়জনে না থাকলে পেনড্রাইভ ওপেন করবেন না। প্রত্যেকবার পেনড্রাইভ ব্যবহারের সময় উপরের এই বিষয়গুলি ভালোভাবে খেয়াল রাখুন। তেমন কঠিন কিছু কিন্তু নয়, একটু সতর্ক থাকুন - ভাইরাস ঢুকবেনা।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ | Control other computer with internet

আপনার বন্ধু থাকে প্রবাসে আর আপনি বাংলাদেশে। আপনার বন্ধু কম্পিউটারে খুব বেশী দক্ষ না। আপনি আপনার বন্ধুকে কিছু শেখাতে চান বা তার কম্পিউটারের কিছু কাজ করে দিতে চান। কিন্তু দুজন হাজার কিলোমিটার দুরে থেকে কিভাবে এটা সম্ভব। টিমভিউয়ার সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনি আপনার বন্ধুর কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবেন, ফলে আপনি তাকে যেমন কিছু শেখাতে পারবেন তেমনই তার বিভিন্ন কাজও করে দিতে পারবেন। এজন্য অবশ্যই উভই কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ এবং টিমভিউয়ার সফটওয়্যার ইনষ্টল থাকতে হবে।
এজন্য উভয়ই http://www.teamviewer.com থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনষ্টল করুন। এবার উভয়ই সফটওয়্যারটি চালু করুন, তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যে Your Details অংশে ID এবং Password আসবে। যেহেতু আপনি আপনার বন্ধুর কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করবেন তাই আপনার বন্ধুর কাছ থেকে এসএমএস, ফোন, মোবাইল, ম্যাসেজ (চ্যাট) বা ইমেইলের মাধ্যমে তার টিমভিউয়ারের ID এবং Password জেনে নিন। এখন আপনার টিমভিউয়ারের (Remote Support নির্বাচন রেখে) Partner Details এর ID অংশে আপনার বন্ধুর দেওয়া আইডি লিখে Connect Partner বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের টিমভিউয়ার পরীক্ষা করবে। এবপরে পাসওয়ার্ড চাইলে আপনার বন্ধুর দেওয়া পাসওয়ার্ড লিখে Log On বাটনে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার বন্ধুর দেওয়া আইডির টাইটেলে একটা উইন্ডো আসবে, যা আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের ডেক্সটপ। এখন আপনি উক্ত ডেস্কটপের মাধ্যমে আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ (ফাইল/ফোল্ডার তৈরী, ডিলিট করা, টাইপ করা, সফটওয়্যার ইনষ্টল করা, ডাউনলোড করা, গান দেখা ইত্যাদি) করতে পারবেন। মোট কথা ইন্টারনেটর সংযোগ অক্ষুন্ন রেখে কম্পিউটার লগঅফ/সার্টডাউন ছাড়া বাকি সবই করতে পারবেণ। এছাড়াও Filetransfer থেকে সংযোগ নিলে আপনার নিজের কম্পিউটারের ফাইল আপনার বন্ধুর কম্পিউটারের মধ্যে ফাইল/ফোল্ডার আদান প্রদান করতে পারবেন।