Online Study Community
Cramster.com brings together students, educators and subject enthusiasts in an online study community. With around-the-clock expert help and a community of over 100,000 knowledgeable members, you can find the help you need, whenever you need it.
http://www.cramster.com/
বাংলায় লিনাক্সের নির্দেশিকা সম্বলিত বই সম্পূর্ণ ফ্রিতে ডাউনলোড | Linux Tutorial in Bangla
http://www.bdosn.org/publications/Ubuntu_guide.pdf
লিনাক্স ব্যবহার শুরুর আগে কিছু প্রস্তুতি
আমাদের যারা কম্পিউটার সম্পর্কে সামান্যতম ধারণা রাখি তারা লিনাক্স যে একটি অপারেটিং সিস্টেম সে সম্পর্কে ধারণা রাখেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই লিনাক্সকে ভিন্ন গ্রহের জিনিস বা "গিক"দের অপারেটিং সিস্টেম মনে করে ভয় পান। তাদের এই ভয় আরও দৃঢ় হয় যখন তারা বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন মানুষের কাছে লিনাক্স ব্যবহারের বিরূপ অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানেন।
আপনি যদি সেই সাহসী কয়েকজনের মধ্যে একজন হোন যারা ভয়কে তুচ্ছ করে লিনাক্স নিয়ে পরীক্ষা করতে আগ্রহী তাহলে আপনার জন্য এই লেখা যাতে আপনার অভিজ্ঞতাও আরও অসংখ্য দুর্ভাগ্যবান ব্যবহারকারীর মতো না হয় এবং লিনাক্সকে ভীনগ্রহের অপারেটিং সিস্টেম অথবা বাজে অপারেটিং সিস্টেম বলে বাতিল করে দিতে না হয়।
পরামর্শ ১: লিনাক্স ডিস্ট্রো নির্বাচন করুন
আপনার চাহিদা অথবা পছন্দ অনুযায়ী একটি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন নির্বাচন করুন। তবে মেইনস্ট্রিম কিছু নির্বাচন করুন যা অধিকাংশ ব্যবহারকারী ব্যবহার করেন (এতে সাহায্য পেতে সহজ হবে)। উক্ত ডিস্ট্রো নিয়ে কিছু পড়ালেখা করুন। দেখুন কিভাবে ইনস্টল করতে হয়। উক্ত লিনাক্সের স্ট্রাক্চার নিয়ে ধারণা নিন (বিদ্যাসাগর হবার প্রয়োজন নেই তবে জেনে রাখলে সুবিধা হবে।)। উক্ত ডিস্ট্রোতে বিভিন্ন ফিচার-সুবিধা কি আছে, অধিকাংশ মানুষ কি নিয়ে সমস্যায় পড়েছে এগুলো লক্ষ্য করুন। এজন্য বিভিন্ন ফোরাম, বিশেষ করে উক্ত ডিস্ট্রোর অফিসিয়াল সাপোর্ট ফোরামে নিয়মিত যান।
পরামর্শ ২: আপনার কম্পিউটার সিস্টেমের প্রোফাইল তৈরি করুন
লিনাক্স ইনস্টলের পরে আপনার কোন ডিভাইস নিয়ে সমস্যায় পরার আগেই ভালো প্রস্তুতি নিয়ে রাখা। প্রথমেই আপনার কম্পিউটারের প্রসেসরগ্রুপ থেকে শুরু করে মাদারবোর্ড, গ্রাফিক্স কার্ড, মডেম/ল্যানকার্ড, সাউন্ডকার্ড, টিভিকার্ড এক কথায় যা যা আছে সব নিয়ে একটি প্রোফাইল তৈরি করুন।
এরপর আপনি সেই প্রোফাইলের একটি একটি কম্পোনেন্টস নিয়ে গুগলে সার্চ করুন (ভালো হয় যদি কোন লিনাক্স ডিস্ট্রোসহ সার্চ করেন)। দেখুন কে কোন ধরনের সমস্যায় পড়েছে আপনার ডিভাইসের অনুরূপ ডিভাইস নিয়ে। সমাধান থাকলে তা নোট করে রাখুন। সমাধান না থাকলে আরও খুঁজে দেখুন অন্যরাও এরকম সমস্যায় পড়েছে নাকি (অর্থাৎ কমন সমস্যা নাকি)। কোথাও না কোথাও সমাধান দেয়া থাকবে।
পরামর্শ ৩: আপনার কার্যপ্রণালী লিপিবদ্ধ করুন
আপনি আপনার কম্পিউটারে কি কি কাজ বেশি করেন তা লিপিবদ্ধ করুন (অফিসে লেখা, ওয়েব ব্রাউজ করা, গান শুনা ইত্যাদি)। এরপর সেই কাজগুলো কোন এ্যাপ্লিকেশন দিয়ে করা হয় তা খুঁজে বের করুন। সেগুলো নিয়ে কিছুটা পড়ালেখা করুন সুবিধা-অসুবিধা, সীমাবদ্ধতা জেনে রাখুন
পরামর্শ ৪: আপনার কম্পিউটারকে প্রস্তুত করুন
এমন নয় যে লিনাক্স ইনস্টল বা ব্যবহার করলেই আপনার সিস্টেমে সমস্যা হবে, সত্যি বলতে লিনাক্স সিস্টেমকে একেবারেই ব্যবহার অনুপযোগী করে নষ্ট করা খুবই কঠিন। তবুও সম্ভব হলে অতিরিক্ত নিশ্চিত হবার জন্য আপনার সিস্টেম সম্পূর্ণ ব্যাকআপ করে নিন। পারলে রিস্টোর ইমেজ তৈরি করুন।
ইমেজ গান এবং মুভি ফরম্যাট সুবিধাজনক ফ্রি (উন্মুক্ত) ফরম্যাটে নিয়ে নিতে পারেন। যেহেতু অধিকাংশ লিনাক্স ডিস্ট্রো প্রোপ্রাইটরি নন-ফ্রি ফাইল ফরম্যাট ডিফল্ট ইনস্টলেশনে সাপোর্ট করে না।
পরামর্শ ৫: আপনার পূর্বের অপারেটিং সিস্টেম রেখে দিন
যতোই আপনি মনে করুন না কেনো আপনার পূর্বের অপারেটিং সিস্টেম (তা সেটা উইন্ডোজ হোক কি ম্যাক হোক) রাখলে আপনি লিনাক্স ব্যবহার করবেন না কোন অবস্থাতেই পূর্বের অপারেটিং সিস্টেম বাতিল করবেন না। আপনার পরিচিত অপারেটিং সিস্টেম থেকে ভিন্ন হওয়ায় লিনাক্সে এসে প্রথমে কয়েকদিন কাজ করতে সমস্যা হবে। প্রয়োজনে আপনার পূর্বের অপারেটিং সিস্টেমে ফিরে গিয়ে কাজ করতে পারবেন।
পরামর্শ ৬: গুরুত্বপূর্ণ গাইড, মেটারিয়াল সাইটের লিঙ্ক সংগ্রহ করুন
ইনস্টলের গাইড থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টিউটোরিয়াল, ওয়েবসাইট, ফোরামের লিঙ্ক সংগ্রহ করুন যাতে পরে প্রয়োজনেই হাতের কাছে পান।
পরামর্শ ৭: লিনাক্স ইনস্টলেশন করুন
আপনি যেসকল গাইড, টিউটোরিয়াল দেখেছেন সেগুলোর আলোকে লিনাক্স ডিস্ট্রো ইনস্টল করে ফেলুন। ডিফল্ট ইনস্টলেশন (কোন মডিফিকেশন ছাড়া) ইনস্টল করা ভালো। এতে সমস্যায় পড়লে সাহায্য পাওয়া সহজ হবে।
পরামর্শ ৮: লিনাক্স কনফিগারেশনে সাবধানতা
লিনাক্স ইনস্টলের পর বিভিন্ন কনফিগারেশন সাবধানতার সাথে অনুসরণ করুন। একসাথে অনেক পরিবর্তন না করাই ভালো, এতে সমস্যায় পড়লে সমস্যার ধরন প্রকৃতি ও সমাধান নির্ণয় সহজ হবে।
পরামর্শ ৯: সমস্যার সমাধান হাতের নাগালের মাঝেই
কোন সমস্যায় পড়লে দিশেহারা না হয়ে প্রথমেই গুগলে সার্চ করুন। সিংহভাগ সম্ভাবণা হচ্ছে আপনার যে সমস্যা তাতে আপনার আগে অন্য আরেকজন পড়েছেন তাই সমাধান খুঁজে পেতে কষ্ট হবার কথা নয়। এরপরও যদি না পান তাহলে অফিসিয়াল সাপোর্ট ফোরামে আপনার সিস্টেমের পূর্ণ প্রোফাইলসহ পূর্ণ বর্ণনা সহকারে সাহ্য্য চান। আপনাকে সাহায্যের জন্য অনেক মানুষ অপেক্ষা করছেন কিন্তু তাদেরকে আপনার আগে সাহায্য করতে হবে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে।
পরামর্শ ১০: কিছু কমান্ড লাইন শিখে নিন
বেসিক কিছু কমান্ড লাইন সবসময়ই কাজে দিবে। প্রথমে ঝামেলার মনে হলেও কিছুদিন ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন কমান্ড লাইনে কাজ করা কতো সহজ এবং দ্রুত।
পরামর্শ ১১: নিজের উপর আস্থা রাখুন
মানুষ বুদ্ধিমান প্রাণী, বিভিন্ন পরিবেশে নিজেকে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। নিজের উপর আস্থা রাখুন আর দশজনের মতো আপনিও লিনাক্স ব্যবহারে আনন্দ পাবেন।
আপনি যদি সেই সাহসী কয়েকজনের মধ্যে একজন হোন যারা ভয়কে তুচ্ছ করে লিনাক্স নিয়ে পরীক্ষা করতে আগ্রহী তাহলে আপনার জন্য এই লেখা যাতে আপনার অভিজ্ঞতাও আরও অসংখ্য দুর্ভাগ্যবান ব্যবহারকারীর মতো না হয় এবং লিনাক্সকে ভীনগ্রহের অপারেটিং সিস্টেম অথবা বাজে অপারেটিং সিস্টেম বলে বাতিল করে দিতে না হয়।
পরামর্শ ১: লিনাক্স ডিস্ট্রো নির্বাচন করুন
আপনার চাহিদা অথবা পছন্দ অনুযায়ী একটি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন নির্বাচন করুন। তবে মেইনস্ট্রিম কিছু নির্বাচন করুন যা অধিকাংশ ব্যবহারকারী ব্যবহার করেন (এতে সাহায্য পেতে সহজ হবে)। উক্ত ডিস্ট্রো নিয়ে কিছু পড়ালেখা করুন। দেখুন কিভাবে ইনস্টল করতে হয়। উক্ত লিনাক্সের স্ট্রাক্চার নিয়ে ধারণা নিন (বিদ্যাসাগর হবার প্রয়োজন নেই তবে জেনে রাখলে সুবিধা হবে।)। উক্ত ডিস্ট্রোতে বিভিন্ন ফিচার-সুবিধা কি আছে, অধিকাংশ মানুষ কি নিয়ে সমস্যায় পড়েছে এগুলো লক্ষ্য করুন। এজন্য বিভিন্ন ফোরাম, বিশেষ করে উক্ত ডিস্ট্রোর অফিসিয়াল সাপোর্ট ফোরামে নিয়মিত যান।
পরামর্শ ২: আপনার কম্পিউটার সিস্টেমের প্রোফাইল তৈরি করুন
লিনাক্স ইনস্টলের পরে আপনার কোন ডিভাইস নিয়ে সমস্যায় পরার আগেই ভালো প্রস্তুতি নিয়ে রাখা। প্রথমেই আপনার কম্পিউটারের প্রসেসরগ্রুপ থেকে শুরু করে মাদারবোর্ড, গ্রাফিক্স কার্ড, মডেম/ল্যানকার্ড, সাউন্ডকার্ড, টিভিকার্ড এক কথায় যা যা আছে সব নিয়ে একটি প্রোফাইল তৈরি করুন।
এরপর আপনি সেই প্রোফাইলের একটি একটি কম্পোনেন্টস নিয়ে গুগলে সার্চ করুন (ভালো হয় যদি কোন লিনাক্স ডিস্ট্রোসহ সার্চ করেন)। দেখুন কে কোন ধরনের সমস্যায় পড়েছে আপনার ডিভাইসের অনুরূপ ডিভাইস নিয়ে। সমাধান থাকলে তা নোট করে রাখুন। সমাধান না থাকলে আরও খুঁজে দেখুন অন্যরাও এরকম সমস্যায় পড়েছে নাকি (অর্থাৎ কমন সমস্যা নাকি)। কোথাও না কোথাও সমাধান দেয়া থাকবে।
পরামর্শ ৩: আপনার কার্যপ্রণালী লিপিবদ্ধ করুন
আপনি আপনার কম্পিউটারে কি কি কাজ বেশি করেন তা লিপিবদ্ধ করুন (অফিসে লেখা, ওয়েব ব্রাউজ করা, গান শুনা ইত্যাদি)। এরপর সেই কাজগুলো কোন এ্যাপ্লিকেশন দিয়ে করা হয় তা খুঁজে বের করুন। সেগুলো নিয়ে কিছুটা পড়ালেখা করুন সুবিধা-অসুবিধা, সীমাবদ্ধতা জেনে রাখুন
পরামর্শ ৪: আপনার কম্পিউটারকে প্রস্তুত করুন
এমন নয় যে লিনাক্স ইনস্টল বা ব্যবহার করলেই আপনার সিস্টেমে সমস্যা হবে, সত্যি বলতে লিনাক্স সিস্টেমকে একেবারেই ব্যবহার অনুপযোগী করে নষ্ট করা খুবই কঠিন। তবুও সম্ভব হলে অতিরিক্ত নিশ্চিত হবার জন্য আপনার সিস্টেম সম্পূর্ণ ব্যাকআপ করে নিন। পারলে রিস্টোর ইমেজ তৈরি করুন।
ইমেজ গান এবং মুভি ফরম্যাট সুবিধাজনক ফ্রি (উন্মুক্ত) ফরম্যাটে নিয়ে নিতে পারেন। যেহেতু অধিকাংশ লিনাক্স ডিস্ট্রো প্রোপ্রাইটরি নন-ফ্রি ফাইল ফরম্যাট ডিফল্ট ইনস্টলেশনে সাপোর্ট করে না।
পরামর্শ ৫: আপনার পূর্বের অপারেটিং সিস্টেম রেখে দিন
যতোই আপনি মনে করুন না কেনো আপনার পূর্বের অপারেটিং সিস্টেম (তা সেটা উইন্ডোজ হোক কি ম্যাক হোক) রাখলে আপনি লিনাক্স ব্যবহার করবেন না কোন অবস্থাতেই পূর্বের অপারেটিং সিস্টেম বাতিল করবেন না। আপনার পরিচিত অপারেটিং সিস্টেম থেকে ভিন্ন হওয়ায় লিনাক্সে এসে প্রথমে কয়েকদিন কাজ করতে সমস্যা হবে। প্রয়োজনে আপনার পূর্বের অপারেটিং সিস্টেমে ফিরে গিয়ে কাজ করতে পারবেন।
পরামর্শ ৬: গুরুত্বপূর্ণ গাইড, মেটারিয়াল সাইটের লিঙ্ক সংগ্রহ করুন
ইনস্টলের গাইড থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টিউটোরিয়াল, ওয়েবসাইট, ফোরামের লিঙ্ক সংগ্রহ করুন যাতে পরে প্রয়োজনেই হাতের কাছে পান।
পরামর্শ ৭: লিনাক্স ইনস্টলেশন করুন
আপনি যেসকল গাইড, টিউটোরিয়াল দেখেছেন সেগুলোর আলোকে লিনাক্স ডিস্ট্রো ইনস্টল করে ফেলুন। ডিফল্ট ইনস্টলেশন (কোন মডিফিকেশন ছাড়া) ইনস্টল করা ভালো। এতে সমস্যায় পড়লে সাহায্য পাওয়া সহজ হবে।
পরামর্শ ৮: লিনাক্স কনফিগারেশনে সাবধানতা
লিনাক্স ইনস্টলের পর বিভিন্ন কনফিগারেশন সাবধানতার সাথে অনুসরণ করুন। একসাথে অনেক পরিবর্তন না করাই ভালো, এতে সমস্যায় পড়লে সমস্যার ধরন প্রকৃতি ও সমাধান নির্ণয় সহজ হবে।
পরামর্শ ৯: সমস্যার সমাধান হাতের নাগালের মাঝেই
কোন সমস্যায় পড়লে দিশেহারা না হয়ে প্রথমেই গুগলে সার্চ করুন। সিংহভাগ সম্ভাবণা হচ্ছে আপনার যে সমস্যা তাতে আপনার আগে অন্য আরেকজন পড়েছেন তাই সমাধান খুঁজে পেতে কষ্ট হবার কথা নয়। এরপরও যদি না পান তাহলে অফিসিয়াল সাপোর্ট ফোরামে আপনার সিস্টেমের পূর্ণ প্রোফাইলসহ পূর্ণ বর্ণনা সহকারে সাহ্য্য চান। আপনাকে সাহায্যের জন্য অনেক মানুষ অপেক্ষা করছেন কিন্তু তাদেরকে আপনার আগে সাহায্য করতে হবে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে।
পরামর্শ ১০: কিছু কমান্ড লাইন শিখে নিন
বেসিক কিছু কমান্ড লাইন সবসময়ই কাজে দিবে। প্রথমে ঝামেলার মনে হলেও কিছুদিন ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন কমান্ড লাইনে কাজ করা কতো সহজ এবং দ্রুত।
পরামর্শ ১১: নিজের উপর আস্থা রাখুন
মানুষ বুদ্ধিমান প্রাণী, বিভিন্ন পরিবেশে নিজেকে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। নিজের উপর আস্থা রাখুন আর দশজনের মতো আপনিও লিনাক্স ব্যবহারে আনন্দ পাবেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)